ঐতিহ্যের কয়া,
স্মার্ট আগামীর পথে
কয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং সমৃদ্ধ স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার
দৃঢ় প্রত্যয়ে আমাদের এই ঐতিহাসিক পথচলা।
স্মার্ট ইউনিয়ন সেবা
সরাসরি যুক্ত হতে নিচের কার্ডগুলো সোয়াইপ (Swipe) করে ব্যবহার করুন
আমাদের ইমপ্যাক্ট ও লক্ষ্য
আপনার সামান্য অনুদান কয়া ইউনিয়নের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে এবং আধুনিক স্মার্ট ইউনিয়ন গড়তে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে।
এখনই অনুদান দিন
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও গুণীজন
যাঁদের মহৎ কর্ম ও দিকনির্দেশনা কয়া ইউনিয়নকে করে তুলেছে আলোকিত।
বিপ্লবী বাঘা যতীন (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়)
ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নায়কবাঘা যতীন (জন্ম: ৭ ডিসেম্বর, ১৮৭৯ – মৃত্যু: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৫) ছিলেন ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্...
শামসুদ্দিন আহমেদ (১৮৮৯–১৯৬৯)
১ম বার্মায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতশামসুদ্দিন আহমেদ ছিলেন কৃষক প্রজা আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা, একজন প্রখ্যাত আইনজীবী এবং ব্রিটিশ শাসিত ভারত ও স্বাধীন...
শহীদ গ্রুপ ক্যাপ্টেন শরাফ উদ্দিন আহমেদ
বীর উত্তম🎖️ শরফুদ্দীন আহমেদ (বীর উত্তম) 🎖️ শরফুদ্দীন আহমেদ (জন্ম: অজানা – মৃত্যু: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) বাংলাদেশের মহান স্বাধ...
শহীদ আবু তালেব
বীর উত্তম🎖️ শহীদ আবু তালেব (বীর উত্তম) 🎖️ শহীদ আবু তালেব (জন্ম: ১৯৪৮ – মৃত্যু: ১৯৭১) বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অ...
আকবর হোসেন (১ অক্টোবর ১৯১৭ – ২ জুন ১৯৮১)
কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক, গল্পকার এবং কবিআকবর হোসেন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক, গল্পকার এবং কবি। সমসাময়িক পাঠকদের হৃদয়ে তাঁর...
শহীদ আবরার ফাহাদ
আগ্রাসন বিরোধী চেতনার প্রতীকআবরার ফাহাদ রাব্বি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ – ৭ অক্টোবর ২০১৯) ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ই...
রকিবুল হাসান
কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক।রকিবুল হাসান। কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তিনি ১৯৬৮ সালের ৩১ মে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রাম...
বিপ্লবী বাঘা যতীন (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়)
ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নায়কবিস্তারিত জীবনী
📌 জন্ম, পরিবার ও শৈশব
জন্ম ও জন্মস্থান: ১৮৭৯ সালের ৭ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে (মাতুলালয়ে) তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
পৈতৃক নিবাস: তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঝিনাইদহ জেলার রিসখালী গ্রামে।
পরিবার: তাঁর পিতা উমেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং মাতা শরৎশশী দেবী। মাত্র ৫ বছর বয়সে বাবাকে হারানোর পর তিনি মায়ের সাথে কয়া গ্রামে চলে আসেন।
মায়ের প্রভাব ও নির্ভীক শৈশব: তাঁর মা শরৎশশী দেবী ছিলেন একজন স্বভাবকবি ও অত্যন্ত সাহসী নারী। মায়ের এই চারিত্রিক দৃঢ়তার গভীর প্রভাব পড়েছিল তাঁর জীবনে। কয়া গ্রামে মামাবাড়িতে বেড়ে ওঠা এবং স্থানীয় নদীতে সাঁতার কাটার মধ্য দিয়ে তিনি শৈশব থেকেই হয়ে ওঠেন অত্যন্ত নির্ভীক ও লড়াকু।
✊ বিপ্লবী জীবন ও অবদান
যুগান্তর দলের নেতৃত্ব: বাঘা যতীন ছিলেন সশস্ত্র ব্রিটিশ-বিরোধী সংগঠন যুগান্তর দলের মূল ধারার প্রধান নেতা। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলায় সশস্ত্র বিপ্লবের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
লেনিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ: বিখ্যাত বিপ্লবী এম. এন. রায় (মানবেন্দ্রনাথ রায়) বাঘা যতীনের সাহস ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকে "লেনিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বিপ্লবী" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
⚔️ বুড়িবালামের যুদ্ধ ও আত্মোৎসর্গ
সম্মুখ সমরে বাঘা যতীন: ১৯১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উড়িষ্যার বালেশ্বরে বুড়িবালাম নদীর তীরে এক ঐতিহাসিক সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বাঘা যতীন এবং তাঁর সাথী পাঁচজন বাঙালি যুবক মিলে সুসজ্জিত ব্রিটিশ পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সাথে লড়াই করেন।
শাহাদাতবরণ: বুড়িবালামের এই অসম যুদ্ধে তিনি গুরুতর আহত হন। পরদিন, ১৯১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বালেশ্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই মহান বিপ্লবী মৃত্যুবরণ করে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ করেন। [৬, ৯]
🏛️ স্মৃতিচিহ্ন ও সম্মাননা
কয়া গ্রামে স্মৃতি: কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া মহাবিদ্যালয় চত্বরে বাঘা যতীনের স্মৃতিবিজড়িত ভিটা ও তাঁর একটি ভাস্কর্য রয়েছে, যা তাঁর বীরত্বের স্মৃতি বহন করে।
ভাস্কর্য অবমাননা: ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দুষ্কৃতিকারীদের দ্বারা এই ভাস্কর্যটি ভাঙচুরের শিকার হয়, যা দেশজুড়ে স্বাধীনতাকামী মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল।
শামসুদ্দিন আহমেদ (১৮৮৯–১৯৬৯)
১ম বার্মায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতবিস্তারিত জীবনী
📌 জন্ম ও শিক্ষাজীবন
জন্ম: ১৮৮৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির নদীয়া জেলার (বর্তমান কুষ্টিয়া) কুমারখালী থানার সুলতানপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
মাধ্যমিক শিক্ষা: ১৯১০ সালে হুগলী কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হন।
উচ্চশিক্ষা: ম্যাট্রিকুলেশন পাসের পর তিনি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এর ছয় বছর পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলাবিদ্যায় স্নাতকোত্তর (এমএ) এবং আইনবিদ্যায় স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন। [১]
💼 বর্ণাঢ্য কর্ম ও রাজনৈতিক জীবন
আইনপেশা থেকে শুরু করে রাজনীতি এবং কূটনীতি—সব ক্ষেত্রেই তাঁর পদচারণা ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল:
১৯১৭: কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে তিনি তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা করেন।
১৯১৯: কলকাতা হাইকোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন এবং প্রখ্যাত নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
১৯২১-১৯২৫: টানা চার বছর তিনি 'বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটি'-এর সচিব হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯২৬: প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়লাভ করে 'বঙ্গীয় আইন পরিষদ'-এর সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯২৯: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করে তিনি 'নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি'তে যোগ দেন এবং দলটির যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৩৩-১৯৩৬: কলকাতা কর্পোরেশনের কমিশনার নির্বাচিত হয়ে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৩৭: বঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনে 'কৃষক প্রজা পার্টি' থেকে জয়লাভ করে আইনসভার সদস্য হন এবং শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হকের প্রথম মন্ত্রিসভায় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।
১৯৪১: ফজলুল হকের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি যোগাযোগ ও পূর্তমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
১৯৪৪: কৃষক প্রজা পার্টি ত্যাগ করে 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'-এ যোগদান করেন।
১৯৪৬: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রিসভায় তাঁকে বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
১৯৪৭ (দেশভাগ পরবর্তী): পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর নবগঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তান সরকার তাঁকে বার্মায় (মিয়ানমার) প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পাঠায়।
পরবর্তী জীবন: পরবর্তীতে তিনি 'পাকিস্তান সমাজতন্ত্রী দল'-এর পূর্ব পাকিস্তান শাখা প্রতিষ্ঠাতাদের একজন এবং দলটির চেয়ারম্যান হন। এ ছাড়া স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী সময়ে তিনি ঢাকা হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
🏫 শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে অবদান
রাজনীতি ও আইন পেশার পাশাপাশি তিনি সমাজকল্যাণ ও শিক্ষাবিস্তারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৬ সালে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে তিনি বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় 'কুষ্টিয়া কলেজ' এবং 'কুষ্টিয়া আলিয়া মাদ্রাসা' প্রতিষ্ঠা করেন।
👨👩👦 পরিবার ও জীবনাবসান
পরিবার: তাঁর বড় ভাই ছিলেন বিশিষ্ট জনহিতৈষী ও সমাজকর্মী মৌলভী আফসার উদ্দিন। তাঁর জামাতা ছিলেন ভাসানী ন্যাপের পরিচিত রাজনীতিবিদ বজলুস সাত্তার।
মৃত্যু: ১৯৬৯ সালের ৩১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রামে নিজ জামাতা বজলুস সাত্তারের বাসভবনে অবস্থানকালে এই প্রবীণ জননেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শহীদ গ্রুপ ক্যাপ্টেন শরাফ উদ্দিন আহমেদ
বীর উত্তমবিস্তারিত জীবনী
শরফুদ্দীন আহমেদ (জন্ম: অজানা – মৃত্যু: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে। [১]
📌 জন্ম ও পরিবার
পৈতৃক নিবাস: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর গ্রাম।
পিতা: মো. শামসুল আলম
মাতা: হাসিনা আলম
পরিবার: চার ভাইবোনের মধ্যে শরফুদ্দীন আহমেদ ছিলেন দ্বিতীয়।
💼 কর্মজীবন ও মুক্তিযুদ্ধে যোগদান
পেশাগত জীবন: ১৯৬৭ সালে তিনি বিমান চালানোর বাণিজ্যিক লাইসেন্স অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিভাগের 'প্ল্যান্ট প্রটেকশন কর্মকর্তা' হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯৭১ সালের মে মাসে তিনি ভারতে যান। এরপর সেপ্টেম্বরের শেষদিকে নবগঠিত মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
প্রশিক্ষণ ও প্রথম অভিযান: বিমান উইংয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তিনি কানাডিয়ান ‘অটার (Otter)’ বিমান দিয়ে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেন। ৫ ডিসেম্বর তিনি প্রথম অপারেশনের সুযোগ পান। পরবর্তীতে ৭ ও ৮ ডিসেম্বর তিনি এই অটার বিমান দিয়েই মৌলভীবাজারে পাকিস্তানি বাহিনীর অবস্থানে সফল আক্রমণ চালান। [২]
🛩️ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে শরফুদ্দীন আহমেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কিছু বিমান হামলা পরিচালনা করেন:
৫ ডিসেম্বরের দুঃসাহসিক অভিযান: ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর। কুশিয়ারা নদীর তীরে ভারতের একটি ছোট বিমানক্ষেত্র থেকে শরফুদ্দীন আহমেদ এবং আরেক পাইলট আকরাম আহমেদ (বীর উত্তম) একটি ছোট ‘অটার’ বিমান নিয়ে আকাশে ওড়েন। বিমানে রকেট ও মেশিনগান এবং সাথে ছিলেন একজন গানার।
লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত: স্বল্পগতির এই বিমানটি নিয়ে তাঁরা অত্যন্ত কৌশলে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে আকাশ থেকে বারবার চক্কর দিয়ে তাঁরা রকেট ছোড়েন এবং গানার মেশিনগান থেকে অনবরত গুলি চালান। এই অতর্কিত হামলায় বহু পাকিস্তানি সেনা হতাহত হয়।
যৌথ বাহিনীকে সহায়তা: মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে বৃহত্তর সিলেট মুক্ত করতে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী যৌথভাবে আটগ্রাম, জাফলং, ছাতকসহ বিভিন্ন অক্ষ ধরে এগোতে থাকে। পিছু হটা পাকিস্তানি সেনারা বিভিন্ন স্থানে শক্ত অবস্থান নিয়ে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুললে যৌথ বাহিনীর অগ্রযাত্রা শ্লথ হয়ে পড়ে।
আকাশপথের ত্রাতা: এই কঠিন পরিস্থিতিতে কুশিয়ারা নদীর তীরে পাকিস্তানি সেনাদের এক বিশাল সমাবেশের ওপর শরফুদ্দীন আহমেদ ও আকরাম আহমেদ অসীম সাহসিকতার সাথে বিমান হামলা চালান। হামলায় বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি সেনা নিহত হলে তাদের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে।
মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার সাহস: স্বল্পগতির অটার বিমান নিয়ে করা এই হামলাগুলো ছিল চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে পাকিস্তানি সেনাদের মেশিনগানের গুলিতে বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে এই অপারেশনগুলো সফল করেন। [৩]
🏅 পুরস্কার ও সম্মাননা
রাষ্ট্রীয় খেতাব: বীর উত্তম
শহীদ আবু তালেব
বীর উত্তমবিস্তারিত জীবনী
শহীদ আবু তালেব (জন্ম: ১৯৪৮ – মৃত্যু: ১৯৭১) বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য সাহসিকতা ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে। তাঁর বীর উত্তম গেজেট নম্বর ৫৩। [১]
📌 জন্ম ও পরিবার
পৈতৃক নিবাস: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কালুয়া গ্রাম।
পিতা: কছিম উদ্দিন শেখ
মাতা: রাশেদান বেগম
ব্যক্তিগত জীবন: তিনি অবিবাহিত ছিলেন।
💼 কর্মজীবন ও মুক্তিযুদ্ধে যোগদান
পেশাগত জীবন: শহীদ আবু তালেব তৎকালীন ইপিআরে (EPR - East Pakistan Rifles) চাকরি করতেন। ১৯৭১ সালে তিনি সাতক্ষীরায় কর্মরত ছিলেন।
যুদ্ধে অংশগ্রহণ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কালবিলম্ব না করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রাথমিক প্রতিরোধ যুদ্ধ শেষে তিনি ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে হাকিমপুর সাব-সেক্টরে যোগ দেন।
উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ: খুলনার বৈকালী, সাতক্ষীরার ভোমরাসহ বেশ কয়েকটি সম্মুখযুদ্ধে তিনি অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করেন। [২]
⚔️ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ও শাহাদাতবরণ
১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে সাতক্ষীরার লক্ষ্মীপুর রণাঙ্গনে এক দুঃসাহসিক অভিযানে তিনি শহীদ হন। তাঁর সেই বীরত্বগাথা নিচে তুলে ধরা হলো:
প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ভারত থেকে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর আক্রমণ জোরদার করেন। এটি ঠেকাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে (যেমন: সাতক্ষীরার লক্ষ্মীপুরে) অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে কড়া পাহারার ব্যবস্থা করে। ফলে ভারত থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশে প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
অপারেশন পরিকল্পনা: লক্ষ্মীপুর ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা। সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে এই ক্যাম্পে আকস্মিক আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রেকি করে জানা যায়, ক্যাম্পের সামনের দিকটি সুরক্ষিত হলেও পেছনের দিকটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল। কৌশল হিসেবে ঠিক হয়, মুক্তিযোদ্ধারা কয়েকটি দলে ভাগ হবেন—একদল সামনে থেকে আক্রমণ করে শত্রুকে ব্যতিব্যস্ত রাখবে, সেই সুযোগে আরেক দল পেছন থেকে মূল হামলা চালাবে এবং বাকিরা 'কাট অব পার্টি' হিসেবে পাহারায় থাকবেন।
সম্মুখ সমরে আবু তালেব: আবু তালেব ছিলেন সামনের দিক থেকে আক্রমণকারী দলের সম্মুখ সারিতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁরা পাকিস্তানি ক্যাম্পে আক্রমণ চালান। সজাগ থাকা পাকিস্তানি সেনারাও তীব্র পাল্টা আক্রমণ করে, ফলে নিমেষে শুরু হয় তুমুল গোলাগুলি।
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই: আবু তালেব অসীম সাহসিকতার সঙ্গে বীর বিক্রমে লড়ছিলেন। যুদ্ধ সাত-আট মিনিট গড়ানোর পর হঠাৎ একঝাঁক গুলি এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয়। একসঙ্গে কয়েকটি গুলি লাগার পরও এই বীর দমে যাননি। রক্তাক্ত অবস্থাতেই তিনি আরও কিছুক্ষণ যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং একপর্যায়ে মাটিতে ঢলে পড়েন। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য নিভে যায় এই অকুতোভয় বীরের জীবনপ্রদীপ। [৩]
🏅 পুরস্কার ও সম্মাননা
রাষ্ট্রীয় খেতাব: বীর উত্তম
গেজেট নম্বর: ৫৩
আকবর হোসেন (১ অক্টোবর ১৯১৭ – ২ জুন ১৯৮১)
কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক, গল্পকার এবং কবিবিস্তারিত জীবনী
📌 জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
জন্ম ও জন্মস্থান: ১৯১৭ সালের ১ অক্টোবর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় গড়াই নদীর তীরবর্তী কয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
প্রকৃতির প্রভাব: গড়াই নদীর অপরূপ সৌন্দর্য, খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনযাপন তাঁর বালক-মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যা পরবর্তীতে তাঁর অন্তর্নিহিত লেখক সত্তার উন্মেষে সাহায্য করে।
বিশেষ স্মৃতি: তাঁর সাহিত্য জীবনে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে সাক্ষাতের এক বিরল সুযোগ পেয়েছিলেন।
🎓 শিক্ষা ও কর্মজীবন
শিক্ষাজীবন: তিনি কুষ্টিয়া হাই স্কুল থেকে সফলভাবে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরবর্তীতে কলকাতার বিখ্যাত রিপন কলেজ থেকে বি.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মজীবন: শিক্ষাজীবন শেষে তিনি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন এবং দীর্ঘকাল অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই দায়িত্ব পালন করেন।
✍️ সাহিত্যিক আত্মপ্রকাশ ও অবদান
সূচনা: ছাত্রাবস্থাতেই তাঁর লেখালেখির হাতেখড়ি হয়। সাহিত্যচর্চার শুরুতে তিনি কবিতা লিখতেন, তবে কালক্রমে তিনি একজন শক্তিশালী কথাশিল্পী হিসেবেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ: তৎকালীন স্বনামধন্য বিভিন্ন পত্রিকা যেমন— ‘সন্ধানী’, ‘শিক্ষা’, ‘দৈনিক আজাদ’ ও ‘নবযুগ’-এ তাঁর লেখা প্রকাশের মধ্য দিয়েই মূলত তাঁর সাহিত্য প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
প্রথম সাফল্য: ১৯৫০ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস 'অবাঞ্ছিত' প্রকাশিত হয়। প্রকাশের পরপরই এটি বিপুল পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে এবং তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়।
📚 প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি
বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি বেশ কিছু চমৎকার উপন্যাস উপহার দিয়েছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো:
অবাঞ্ছিত (১৯৫০)
কি পাইনি (১৯৫২)
মোহমুক্তি (১৯৫৩)
ঢেউ জাগে (১৯৬১)
আলোছায়া (১৯৬৪)
দু'দিনের খেলাঘরে (১৯৬৫)
মেঘ বিজলী বাদল (১৯৬৮)
নতুন পৃথিবী (১৯৭৪)
নীলাঞ্জনা
প্রাণবসন্ত
উপল উপকূলে
হৃদয় উপবনে
দুষ্টক্ষত
আভা ও তার প্রথম পুরুষ
🕊️ জীবনাবসান
বাংলা সাহিত্যের এই জনপ্রিয় ও সমাদৃত কথাসাহিত্যিক ১৯৮১ সালের ২রা জুন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টিগুলো আজও বাঙালি পাঠকদের হৃদয়ে তাঁকে অমর করে রেখেছে।
শহীদ আবরার ফাহাদ
আগ্রাসন বিরোধী চেতনার প্রতীকবিস্তারিত জীবনী
📌 জন্ম, পরিবার ও শিক্ষাজীবন
জন্ম: ১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায়। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়।
পরিবার: পিতা মো. বরকত উল্লাহ (ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা) এবং মাতা রোকেয়া খাতুন (কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক)। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ছিলেন বড়।
শিক্ষাজীবন:
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক: কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে পড়াশোনা করেন।
উচ্চমাধ্যমিক: নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করেন।
উচ্চশিক্ষা: ২০১৮ সালে তিনি বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল (EEE) বিভাগে ভর্তি হন।
🩸 মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ও বিচার
প্রেক্ষাপট: আবরার বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। ছুটিতে বাড়িতে থাকার পর পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর তিনি ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন।
হত্যাকাণ্ড: সেদিন দিবাগত রাতে (৬ অক্টোবর) ফেসবুক পোস্টের জেরে ছাত্রশিবির-সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিহীন সন্দেহে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী তাঁকে ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে মোবাইল ফোন চেক করার পর তাঁকে ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
লাশ উদ্ধার: ৭ অক্টোবর ভোর তিনটায় শেরেবাংলা হলের নিচতলা থেকে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে এবং মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাশুক এলাহী তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিচার ও রায়: ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ বাংলাদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন ও এ কে এম আসাদুজ্জামানের বেঞ্চে এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায় প্রদান করা হয়। রায়ে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।
🏛️ কিংবদন্তি ও স্বীকৃতি (মরণোত্তর সম্মাননা)
আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগ দেশের ছাত্ররাজনীতি ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এক নতুন মাত্রা যোগ করে, যা বিভিন্নভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে:
সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা: ২০২৫ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’-এ ভূষিত করে।
সড়ক ও স্থাপনার নামকরণ:
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ ঢাকার গুলিস্তানের 'বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ'-এর নাম পরিবর্তন করে 'শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ' রাখা হয়।
২০২৫ সালে কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম’ নামকরণ করা হয়।
স্মৃতিফলক স্থাপন: মৃত্যুর পঞ্চম বার্ষিকীতে ঢাকার পলাশী মোড়ে 'আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ'-এর উদ্যোগে একটি স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়, যার উদ্বোধন করেন বুয়েটের উপাচার্য এ. বি. এম. বদরুজ্জামান।
জাতীয় দিবস ঘোষণা: ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সরকার আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ৭ অক্টোবরকে 'জাতীয় আগ্রাসন বিরোধী দিবস' হিসেবে পালনের দাবি ওঠে।
পপ কালচারে প্রভাব: ২০২৪ সালের অক্টোবরে শেরেবাংলা হলের সেই অভিশপ্ত কক্ষের নামানুসারে "রুম নম্বর ২০১১" নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এটি আবরারের মৃত্যু, ছাত্র রাজনীতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রভাব নিয়ে নির্মিত।
জুলাই বিপ্লবের প্রেরণা: আবরারের মৃত্যু বাংলাদেশে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও সরকারবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেছিল, যা পরবর্তীতে "জুলাই বিপ্লব" নামে পরিচিতি পায়। জনগণ গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়।
ভাইয়ের বুয়েটে পদার্পণ: ২০২২ সালে আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ অদম্য সাহস নিয়ে সেই বুয়েটেই ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং পরিবারের সিদ্ধান্তে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেন।
রকিবুল হাসান
কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক।বিস্তারিত জীবনী
প্রকাশিত গ্রন্থ:
গবেষণা-গ্রন্থ: সাহিত্যের নন্দনচর্যা, পঞ্চাশের সাহিত্যে জনপ্রিয় যুবরাজ, ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ও ফোকলোর, বাংলা জনপ্রিয় উপন্যাসের ধারা: মীর মশাররফ হোসেন থেকে আকবর হোসেন, বিপ্লবী বাঘা যতীন, আকবর হোসেনের কথাসাহিত্য: রূপলোক ও শিল্পসিদ্ধি, কয়ায় রবীন্দ্রনাথ, বাঘা যতীন ও প্রাজ্ঞজন।
প্রবন্ধ গ্রন্থ: গড়াই নদীর পাড়, পথে যেতে যেতে, পথের কথা, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম, প্রবন্ধ প্রমূর্ত: ভিতর বাহির, রবীন্দ্রনাথ ও বাঘা যতীন।
উপন্যাস: জীবন দিয়ে ভালোবাসি, এ কী তৃষ্ণা এ কী দাহ, নবীরন, ভাঙন, ছায়াবন্দি, অহনাবউ।
গল্পগ্রন্থ: মেয়েটির চোখে শিশির জমেছিল, প্রেমের বেলা নেই।
কাব্যগ্রন্থ: অনিয়ম চুম্বনের সিঁড়ি ধরে, এক ধরনের অহংকার, দুঃখময়ী শ্যামবর্ণ রাত, দেবতীদেউল, রহস্যস্বাক্ষর, রকিবুল হাসানের প্রেমের কবিতা, ব্যর্থ ভয়ঙ্কর দৌড়ের কাছে, স্বদেশলক্ষ্মীর তিমিররাত্রি, (যৌথ), ধুলোমাটির ঘ্রাণ।
সাক্ষাৎকারভিত্তিক গ্রন্থ: ইন্টারভিউ।
সম্পাদিত গ্রন্থ: বিমূঢ় বিস্ময় জীবনানন্দ দাশ (যৌথ) সহ ১৩টি।
সম্পাদিত পত্রিকা: সাপ্তাহিক অর্থবিত্ত ২২ বছর ধরে সম্পাদনা করছেন। পিআররিভিউ জার্নাল ‘গবেষণা সাময়িকী (১-৪) সংখ্যা সম্পাদনা করেছেন। এনইউবি বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি গবেষণা পত্রিকার সম্পাদক। সাহিত্যের অনিয়মিত কাগজ গৈরিক, একক, কলরব ও সংগতির সম্পাদক।
পুরস্কার:
চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব সাহিত্য সম্মাননা ২০২০। শ্রীপুর সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯, শ্রীপুর, গাজীপুর। কবি ওমর আলী স্বর্ণপদক ২০১৮, পাবনা। লালন সাঁই পুরস্কার-২০১৫, লালন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, ঢাকা। বাংলা সাহিত্য পদক-২০০৬, পাবনা। স্যার সলিমুল্লাহ পদক-২০০৬, ঢাকা। দ্য সান সম্মাননা-২০১০, ঢাকা। চাইল্ড হেভেন সম্মাননা-২০১০, কুষ্টিয়া। ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ সম্মাননা-২০১১, কুমারখালী, কুষ্টিয়া। সিটি স্কুল সম্মাননা-২০১৫, ঢাকা।
কয়া ইউনিয়নের সূর্যসন্তান: বীর মুক্তিযোদ্ধা
একাত্তরের রণাঙ্গনে কয়া ইউনিয়নের গৌরবময় অবদানের স্মৃতি চির অম্লান।
মোঃ সদর উদ্দিন
ক্রমিক নং: ২৭৮গ্রাম: কয়া
পরিচিতি: 01500002568
মোঃ ছামাদ আলী শেখ
ক্রমিক নং: ৯৯গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001266
মোঃ আকমল হোসেন
ক্রমিক নং: ১০৭গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001345
মকবুল হোসাইন
ক্রমিক নং: ১১৫গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001355
আলী হোসেন
ক্রমিক নং: ১১৭গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500001358
মোঃ আজিজুল হক
ক্রমিক নং: ১৫১গ্রাম: খলিশাদহ
পরিচিতি: 01500001436
মোঃ মকছেদ আলী
ক্রমিক নং: ১৫২গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001437
মৃত হায়াত আলী
ক্রমিক নং: ১৫৩গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500001438
মৃত ময়েন উদ্দিন খান
ক্রমিক নং: ১৫৪গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500001439
মোঃ ইউসুফ আলী
ক্রমিক নং: ১৫৫গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500001440
মোঃ গোফুর
ক্রমিক নং: ১৫৬গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001441
মোঃ জুলমত আলী
ক্রমিক নং: ১৫৭গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001442
মোঃ চাঁদ আলী ব্যাপারি
ক্রমিক নং: ১৫৯গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500001444
মোঃ হাবিবুর রহমান
ক্রমিক নং: ১৬০গ্রাম: কয়া
পরিচিতি: 01500001445
মোঃ আলাউদ্দিন মিঞা
ক্রমিক নং: ১৬১গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001446
মোঃ মোতালেব ব্যাপারি
ক্রমিক নং: ১৬২গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500001447
মোঃ হাবিবুর রহমান
ক্রমিক নং: ১৬৩গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001448
মোঃ হাশেম আলী
ক্রমিক নং: ১৬৪গ্রাম: চরবানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001449
মোঃ হেকমত আলী
ক্রমিক নং: ১৬৫গ্রাম: চর বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001450
মোঃ আব্বাস আলী
ক্রমিক নং: ১৬৬গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001451
নাজিম উদ্দিন আহমেদ
ক্রমিক নং: ১৬৭গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500001452
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ
ক্রমিক নং: ১৬৮গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500001453
মোঃ আব্দুল খালেক
ক্রমিক নং: ১৬৯গ্রাম: বেড় কালোয়া
পরিচিতি: 01500001454
মোঃ আব্দুল মালেক মিয়া
ক্রমিক নং: ১৭০গ্রাম: বেড় কালোয়া
পরিচিতি: 01500001455
মোঃ আবের আলী
ক্রমিক নং: ১৭১গ্রাম: চর বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001456
মোঃ নিজাম উদ্দিন
ক্রমিক নং: ১৭২গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500001457
মোঃ আঃ রহিম
ক্রমিক নং: ১৭৩গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500001458
মোঃ লুৎফর সেখ
ক্রমিক নং: ১৭৪গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001460
মোঃ আবু হানিফ
ক্রমিক নং: ১৭৫গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500001463
মোঃ মহির উদ্দিন
ক্রমিক নং: ২৩৫গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500001937
মোঃ আব্দুস সাত্তার
ক্রমিক নং: ২৩৬গ্রাম: বাড়ীদী
পরিচিতি: 01500002022
মোঃ রিফাজ উদ্দিন শেখ
ক্রমিক নং: ২৩৮গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500002030
মৃত মির্জা সুলতান আওলিয়া
ক্রমিক নং: ২৩৯গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500002067
মৃত হেলাল উদ্দিন আহমেদ
ক্রমিক নং: ২৪৩গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500002237
আব্দুল হাকিম
ক্রমিক নং: ২৪৫গ্রাম: সোনামহ
পরিচিতি: 01500002244
মোঃ আঃ রশিদ
ক্রমিক নং: ২৪৭গ্রাম: বাড়াদী
পরিচিতি: 01500002317
মোঃ আঃ মাজেদ জোয়ার্দার
ক্রমিক নং: ২৪৯গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500002323
মোঃ আতিউর রহমান
ক্রমিক নং: ২৭৬গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500002562
রবিউল ইসলাম
ক্রমিক নং: ১গ্রাম: কয়া
পরিচিতি: 01500000880
মোঃ মবিন উদ্দীন
ক্রমিক নং: ২৯৯গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500003783
মৃত মফিজ উদ্দিন সেখ
ক্রমিক নং: ৩০৩গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500003787
মোঃ মিজানুর রহমান
ক্রমিক নং: ৩০৫গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500003916
মোঃ আব্দুল হামিদ আলী
ক্রমিক নং: ৩২২গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500004210
মোঃ আমিরুল ইসলাম
ক্রমিক নং: ৩৬১গ্রাম: কয়া
পরিচিতি: 01500004729
মোঃ রিয়াজ উদ্দিন মিঞা
ক্রমিক নং: ৩৬৫গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500004733
মজিবুর ইসলাম
ক্রমিক নং: ৪১৬গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 02500000023
মোঃ আমজাদ হোসেন
ক্রমিক নং: ৪৩০গ্রাম: গটিয়া
পরিচিতি: 01500004929
মোহাঃ মোনায়েম উদ্দিন
ক্রমিক নং: ৪৩৪গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500004969
মোঃ সেলিম উদ্দিন বিশ্বাস
ক্রমিক নং: ৪৪৩গ্রাম: কালোয়া
পরিচিতি: 01500005075
শহীদ ফকির সরদার
ক্রমিক নং: ৪৫১গ্রাম: শ্রীকোল
পরিচিতি: 02500000024
মোঃ সোহরাব উদ্দিন
ক্রমিক নং: ৪৫৬গ্রাম: বানিয়াপাড়া
পরিচিতি: 01500005080
মোঃ আলতাব হোসেন
ক্রমিক নং: ৪৬৩গ্রাম: সুলতানপুর
পরিচিতি: 01500005088
মোঃ মোসলেম উদ্দিন শেখ
ক্রমিক নং: ৪৬৪গ্রাম: বারাদী
পরিচিতি: 01500005089
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ সদর উদ্দিন
বিজিবি গেজেট (634), ভারতীয় তালিকা (49480)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ ছামাদ আলী শেখ
বেসামরিক গেজেট (2806)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আকমল হোসেন
বেসামরিক গেজেট (2787)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মকবুল হোসাইন
ভারতীয় তালিকা (49506)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
আলী হোসেন
লাল মুক্তিবার্তা (411050081)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আজিজুল হক
বেসামরিক গেজেট (2804)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মকছেদ আলী
বেসামরিক গেজেট (2800)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মৃত হায়াত আলী
লাল মুক্তিবার্তা (411050077), বেসামরিক গেজেট (580)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মৃত ময়েন উদ্দিন খান
বেসামরিক গেজেট (2785)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ ইউসুফ আলী
বেসামরিক গেজেট (2791)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ গোফুর
লাল মুক্তিবার্তা (411050187), বেসামরিক গেজেট (651)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ জুলমত আলী
বেসামরিক গেজেট (2807)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ চাঁদ আলী ব্যাপারি
বেসামরিক গেজেট (694)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ হাবিবুর রহমান
বেসামরিক গেজেট (2810)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আলাউদ্দিন মিঞা
বেসামরিক গেজেট (2792)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মোতালেব ব্যাপারি
বেসামরিক গেজেট (2783)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ হাবিবুর রহমান
বেসামরিক গেজেট (2794)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ হাশেম আলী
বেসামরিক গেজেট (2788)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ হেকমত আলী
বেসামরিক গেজেট (2784)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আব্বাস আলী
বেসামরিক গেজেট (2798)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
নাজিম উদ্দিন আহমেদ
বেসামরিক গেজেট (2795)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ
বেসামরিক গেজেট (2782)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আব্দুল খালেক
বেসামরিক গেজেট (699)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আব্দুল মালেক মিয়া
লাল মুক্তিবার্তা (411050030), বেসামরিক গেজেট (598)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আবের আলী
বেসামরিক গেজেট (2811)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ নিজাম উদ্দিন
বেসামরিক গেজেট (696)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আঃ রহিম
বেসামরিক গেজেট (2790)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ লুৎফর সেখ
বেসামরিক গেজেট (652), লাল মুক্তিবার্তা (411050193)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আবু হানিফ
বেসামরিক গেজেট (2786)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মহির উদ্দিন
বেসামরিক গেজেট (2796)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আব্দুস সাত্তার
সেনাবাহিনী গেজেট (146)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ রিফাজ উদ্দিন শেখ
বেসামরিক গেজেট (695), লাল মুক্তিবার্তা (411050028)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মৃত মির্জা সুলতান আওলিয়া
বেসামরিক গেজেট (2801)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মৃত হেলাল উদ্দিন আহমেদ
বেসামরিক গেজেট (3013)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
আব্দুল হাকিম
লাল মুক্তিবার্তা (411050050), ভারতীয় তালিকা (49522), বেসামরিক গেজেট (596)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আঃ রশিদ
বেসামরিক গেজেট (2802)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আঃ মাজেদ জোয়ার্দার
বেসামরিক গেজেট (2805)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আতিউর রহমান
লাল মুক্তিবার্তা (411050101), বেসামরিক গেজেট (581)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
রবিউল ইসলাম
লাল মুক্তিবার্তা (411050166), সেনাবাহিনী গেজেট (10814), ভারতীয় তালিকা (49529)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মবিন উদ্দীন
বেসামরিক গেজেট (2809)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মৃত মফিজ উদ্দিন সেখ
বেসামরিক গেজেট (697)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মিজানুর রহমান
বেসামরিক গেজেট (2803)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আব্দুল হামিদ আলী
লাল মুক্তিবার্তা (411050029), বেসামরিক গেজেট (698), ভারতীয় তালিকা (B/141)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আমিরুল ইসলাম
বেসামরিক গেজেট (2781), লাল মুক্তিবার্তা (411050136)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ রিয়াজ উদ্দিন মিঞা
বেসামরিক গেজেট (2780)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মজিবুর ইসলাম
সেনাবাহিনী গেজেট (15742), সশস্ত্র বাহিনী শহীদ গেজেট (422)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আমজাদ হোসেন
লাল মুক্তিবার্তা (411050104), ভারতীয় তালিকা (49445)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোহাঃ মোনায়েম উদ্দিন
বেসামরিক গেজেট (693), ভারতীয় তালিকা (49465)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ সেলিম উদ্দিন বিশ্বাস
ভারতীয় তালিকা (49466)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
শহীদ ফকির সরদার
শহীদ বেসামরিক গেজেট (1949)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ সোহরাব উদ্দিন
বেসামরিক গেজেট (3150)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ আলতাব হোসেন
বেসামরিক গেজেট (3154)
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা রেকর্ড
কয়া ফাউন্ডেশন ডিজিটাল ডাটাবেস
মোঃ মোসলেম উদ্দিন শেখ
বেসামরিক গেজেট (3153)
আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
কয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের বহুমুখী কার্যক্রম।
আর্থ-সামাজিক ও নারী ক্ষমতায়ন
দুস্থ নারী ও বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বা অন্যান্য উপকরণ সহায়তা প্রদান।
মেধা ও গুণীজন সম্মাননা
প্রতি বছর বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে এলাকার সেরা মেধাবী শিক্ষার্থী, সেরা স্বেচ্ছাসেবী, সেরা ক্রীড়াবিদ, সেরা উদ্যোক্তা/কৃষক এবং সমাজের আলোকিত গুণীজনদের আনুষ্ঠানিক সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা।
স্মার্ট ইউনিয়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন
তরুণ সমাজকে ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি (IT) প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কয়া ইউনিয়নের ব্লাড ব্যাংক ও প্রবাসীদের ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি করা।
স্বাস্থ্য ও রক্তদান
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ব্লাড ব্যাংক ও জরুরি রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনা।
পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিকমুক্ত এলাকা গড়ার জনসচেতনতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে (বন্যা, শীত) অসহায়দের মাঝে ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং জরুরি রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনা।
সামাজিক কাজ ও খেলাধুলা
যুবসমাজকে মোবাইল আসক্তি ও অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, গ্রামীণ উৎসব এবং সামাজিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন মেগা ইভেন্টের আয়োজন করা।
টিমে যোগ দিন
আপনার শ্রম ও মেধা দিয়ে গড়ুন স্মার্ট কয়া ইউনিয়ন।
স্বেচ্ছাসেবক নিবন্ধন
নিবন্ধন করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের ব্লাড ব্যাংকেও যুক্ত হয়ে যাবেন।