কয়া দর্পণ

ঐতিহ্যের কয়া, স্মার্ট আগামীর পথে

News
সংগঠনের নোটিশ
05 জুন 2026

কয়া ফাউন্ডেশনের কোর কমিটির এক প্রাণবন্ত ও সফল মতবিনিময় সভা সম্পন্ন!

আলহামদুলিল্লাহ! কয়া ফাউন্ডেশনের কোর কমিটির এক প্রাণবন্ত ও সফল মতবিনিময় সভা সম্পন্ন! 🌟🤝 আজ একটি অসাধারণ, গঠনমূলক এবং উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে কয়া ফাউন্ডেশনের 'পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা' সফলভাবে সম্পন্ন হলো। শেকড়ের টানে একদল স্বপ্নবাজ তরুণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং কয়াকে বদলানোর দৃঢ় প্রত্যয় আমাদের এই পথচলাকে আজ আরও বেগবান করেছে। মিটিংয়ে সবার উন্মুক্ত আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং আগামী দিনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়। আজকের সভার মূল বিষয়বস্তু ও সিদ্ধান্তসমূহ: 🤝 পারস্পরিক পরিচিতি ও ভিশন শেয়ার: কোর কমিটির সকল সদস্যের আনন্দঘন পরিচিতি পর্ব এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং আমাদের 'স্মার্ট কয়া' গড়ার স্বপ্ন সবার সামনে তুলে ধরা হয়। 🎯 লক্ষ্য পূরণে ঐকমত্য: উপস্থিত সকল সদস্য নিজ নিজ জায়গা থেকে অত্যন্ত চমৎকার সব মতামত প্রদান করেন এবং কয়া ফাউন্ডেশনের রূপকল্প বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। 🚫 মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এর কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে খুব দ্রুত এলাকায় সামাজিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 🩺 দুস্থদের চিকিৎসাসেবা: এলাকার সুবিধাবঞ্চিত, গরিব ও অসহায় মানুষদের চিকিৎসাসেবায় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কীভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করা যায়, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করা হয়। 💻 যুব উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরি: এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে বিভিন্ন কারিগরি ও আইটি ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সাহায্য করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 📋 পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: ফাউন্ডেশনের কাজের গতি বহুগুণ বাড়াতে এবং প্রতিটি প্রজেক্ট সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজকের এই মিটিং প্রমাণ করেছে— আমরা কয়ার তরুণরা যদি এক হয়ে মাঠে নামি, তবে আমাদের কয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মানবিক ও মডেল 'স্মার্ট ইউনিয়ন' হিসেবে গড়ে তোলা কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। মিটিংয়ে উপস্থিত থেকে নিজেদের মূল্যবান সময় ও মতামত দিয়ে আজকের এই আয়োজনকে সফল করার জন্য কোর কমিটির প্রত্যেকটি সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা। আমাদের স্বপ্নের পথে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। কয়া ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন আমাদের পাথেয়। #KayaFoundation #FirstMeeting #SmartKaya #TeamKaya #YouthPower #SocialWork #Kushtia #KayaUnion

News
ইভেন্ট ও অন্যান্য
03 জুন 2026

স্মার্ট ট্যালেন্ট ডাটাবেস

প্রিয় কয়া ইউনিয়নবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম। কয়া ইউনিয়নের সকল কৃতি শিক্ষার্থী, অভিজ্ঞ পেশাজীবী এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের নিয়ে আমরা তৈরি করছি একটি "স্মার্ট ট্যালেন্ট ডাটাবেস"। আপনি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি কর্মকর্তা বা সফল উদ্যোক্তা হোন—আপনার তথ্য আমাদের জন্য গর্বের। কেন এই ডাটাবেসে যুক্ত হবেন? ১. এলাকার মানুষের জরুরি প্রয়োজনে (যেমন: চিকিৎসা বা আইনি পরামর্শ) দ্রুত যোগাযোগ। ২. মেধাবী শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন প্রদান। ৩. প্রবাসীদের জন্য বিশেষ নেটওয়ার্কিং ও সম্মাননা। ৪. কয়া ফাউন্ডেশনের মেগা ইভেন্টে আমন্ত্রিত হওয়া। আপনার তথ্য মাত্র ২ মিনিটে আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন: 👉 রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক: http://smartword2.kormokahon.com/smart_census.php আসুন, মেধা ও শ্রম দিয়ে আমাদের শেকড়কে শক্তিশালী করি। 🌳 #KayaTalent #ExpatriateCorner #KayaDarpan #KayaUnion

News
সংগঠনের নোটিশ
04 মে 2026

কয়াকে বদলাতে আমরা খুঁজছি একদল অদম্য তরুণ! 🤝

বিপ্লবী বাঘা যতীনের স্মৃতিবিজড়িত কয়া ইউনিয়নকে একটি 'স্মার্ট ইউনিয়ন'-এ রূপান্তর করার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে "কয়া ফাউন্ডেশন"। কিন্তু এই বিশাল কর্মযজ্ঞ আমাদের কোর কমিটির কয়েকজনের পক্ষে একা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। "একা চলা যায়, কিন্তু বহুদূর যেতে হলে সবাইকে সাথে নিয়ে চলতে হয়।" কয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মেধা মূল্যায়ন এবং সমাজসেবামূলক কাজগুলো সফলভাবে মাঠে বাস্তবায়ন করতে আমাদের প্রয়োজন কয়া ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের কিছু নিবেদিতপ্রাণ ও উদ্যমী তরুণ। কারা যুক্ত হতে পারবেন? ✅ কয়া ইউনিয়নের যেকোনো ছাত্র, পেশাজীবী বা সাধারণ মানুষ। ✅ যার মধ্যে সমাজের জন্য নিস্বার্থভাবে কাজ করার মানসিকতা আছে। ✅ যিনি আমাদের অরাজনৈতিক ও স্বচ্ছতার নীতিতে বিশ্বাসী। কীভাবে যুক্ত হবেন? আপনি যদি আমাদের গর্বিত 'স্বেচ্ছাসেবী (Volunteer)' হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন, তবে আমাদের পেজে ইনবক্স (Message) করুন অথবা নিচের নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন। খুব শিগগিরই আমরা আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে একটি পরিচিতি সভার আয়োজন করবো। 📞 যোগাযোগ/হোয়াটসঅ্যাপ: 01794-641838 আসুন, আমাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে শেকড়ের জন্য কিছু করি। #VolunteerCall #JoinUs #KayaFoundation #SmartKaya #YouthPower #Kushtia

News
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও গুণীজন পরিচিতি
০৪/০৫/২০২৬

বিপ্লবী বাঘা যতীন (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়)

ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নায়ক বিস্তারিত জীবনী বাঘা যতীন (জন্ম: ৭ ডিসেম্বর, ১৮৭৯ – মৃত্যু: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৫) ছিলেন ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নায়ক এবং বাংলার অন্যতম বিপ্লবী সংগঠন ‘যুগান্তর’ দলের প্রধান নেতা। তাঁর অসীম সাহস, বীরত্ব ও দেশপ্রেম তাঁকে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অমর স্থানে আসীন করেছে। 📌 জন্ম, পরিবার ও শৈশব জন্ম ও জন্মস্থান: ১৮৭৯ সালের ৭ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে (মাতুলালয়ে) তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস: তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঝিনাইদহ জেলার রিসখালী গ্রামে। পরিবার: তাঁর পিতা উমেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং মাতা শরৎশশী দেবী। মাত্র ৫ বছর বয়সে বাবাকে হারানোর পর তিনি মায়ের সাথে কয়া গ্রামে চলে আসেন। মায়ের প্রভাব ও নির্ভীক শৈশব: তাঁর মা শরৎশশী দেবী ছিলেন একজন স্বভাবকবি ও অত্যন্ত সাহসী নারী। মায়ের এই চারিত্রিক দৃঢ়তার গভীর প্রভাব পড়েছিল তাঁর জীবনে। কয়া গ্রামে মামাবাড়িতে বেড়ে ওঠা এবং স্থানীয় নদীতে সাঁতার কাটার মধ্য দিয়ে তিনি শৈশব থেকেই হয়ে ওঠেন অত্যন্ত নির্ভীক ও লড়াকু। ✊ বিপ্লবী জীবন ও অবদান যুগান্তর দলের নেতৃত্ব: বাঘা যতীন ছিলেন সশস্ত্র ব্রিটিশ-বিরোধী সংগঠন যুগান্তর দলের মূল ধারার প্রধান নেতা। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলায় সশস্ত্র বিপ্লবের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। লেনিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ: বিখ্যাত বিপ্লবী এম. এন. রায় (মানবেন্দ্রনাথ রায়) বাঘা যতীনের সাহস ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকে "লেনিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বিপ্লবী" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। ⚔️ বুড়িবালামের যুদ্ধ ও আত্মোৎসর্গ সম্মুখ সমরে বাঘা যতীন: ১৯১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উড়িষ্যার বালেশ্বরে বুড়িবালাম নদীর তীরে এক ঐতিহাসিক সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বাঘা যতীন এবং তাঁর সাথী পাঁচজন বাঙালি যুবক মিলে সুসজ্জিত ব্রিটিশ পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সাথে লড়াই করেন। শাহাদাতবরণ: বুড়িবালামের এই অসম যুদ্ধে তিনি গুরুতর আহত হন। পরদিন, ১৯১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বালেশ্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই মহান বিপ্লবী মৃত্যুবরণ করে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ করেন। [৬, ৯] 🏛️ স্মৃতিচিহ্ন ও সম্মাননা কয়া গ্রামে স্মৃতি: কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া মহাবিদ্যালয় চত্বরে বাঘা যতীনের স্মৃতিবিজড়িত ভিটা ও তাঁর একটি ভাস্কর্য রয়েছে, যা তাঁর বীরত্বের স্মৃতি বহন করে। ভাস্কর্য অবমাননা: ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দুষ্কৃতিকারীদের দ্বারা এই ভাস্কর্যটি ভাঙচুরের শিকার হয়, যা দেশজুড়ে স্বাধীনতাকামী মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল।

হোম ব্লাড ব্যাংক আবেদন স্ট্যাটাস যোগাযোগ